কেবি ২৬ জুন ২০২৪ ১১:৩২ এ.এম
অলোক আচার্য
বর্ষা হলো মিষ্টি ঘ্রাণযুক্ত বহু ফুলের ঋতু। এসব ফুলের অধিকাংশই আবার সাদা। আর সাদা ফুল অধিকাংশই হয় তীব্র ঘ্রাণযুক্ত। এর মধ্যে অন্যতম হলো কেয়া, কদম বেলী,টগর,রঙ্গন, দোলনচাঁপা, কাঠগোলাপ,গন্ধরাজ ও বকুল। এর মধ্যে চারটি ফুলের বিস্তারিত পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো-
কদম ফুলঃ
বৃষ্টি এলেই মনে পরে কদম ফুলের কথা। আর ঠিক সেই কারণে গানে বা কবিতায় বা গল্পে বর্ষার বর্ণনায় এসেছে কদম ফুলের কথা। সোজা দাড়িয়ে থাকা গাছে ডালে ডালে ফুটে থাকে কদম ফুল। বর্ষা মানে যেমন বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ, তেমনি বর্ষা মানেই কদমের ডালে ডালে ফুল, কদমের রেণুর বর্ষার জলে ভেসে চলা। বর্ষা মানেই যেন কদম ফুলের অনিবার্য আগমন। ঋতুচক্রে এখন বাংলায় বর্ষাকাল চলছে। আর বর্ষার প্রথম মাস হলো আষাঢ়। আষাঢ়ের প্রথমেই ফোটে কদম ফুল। কবিগুরুর সুরে তাই গেয়ে উঠি, বাদল দিনের প্রথমও কদম ফুল করেছো দান, আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান, মেঘের ছায়ায় অন্ধকারে রেখেছি ঢেকে তারে, এই যে আমার সুরের ক্ষেতের প্রথম সোনার ধান’। রাধাকৃষ্ণের বিখ্যাত প্রেমসংগীতে আছে প্রাণ সখীরে ওই শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে? সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে সাদার শুভ্রতা আর সোনালি রঙ্গে লম্বা সাদার আবরণে ঝুলে থাকে কদম ফুল। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কদম ফুল ছিঁড়ে শিশু সুলভ খেলাধূলায় মেতে ওঠে। কদম গাছ লম্বাকারভাবে বেড়ে ওঠে এবং বহু শাখ-প্রশাখায় বিভক্ত। পাতা হয় বড় বড়, ডিম্বাকৃতি, উজ্জ্বল-সবুজ, তেল-চকচকে। এর বোঁটা খুবই ছোট। নিবিড় পত্রবিন্যাসের জন্য কদম ছায়াঘন। এই গাছের উচ্চতা ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত হয়। শীতে কদমের পাতা ঝরে এবং বসন্তে কচি পাতা গজায়। কদমের কচি পাতার রঙ হালকা সবুজ। কদমের একটি পূর্ণ মঞ্জরিকে সাধারণত একটি ফুল বলেই মনে হয়। কদম ফুল দেখতে বলের মতো গোল, মাংসল পুষ্পাধারে অজস্র সরু সরু ফুলের বিকীর্ণ বিন্যাস। এই ফুলের রং সাদা-হলুদে।
কেয়া ফুলঃ
বর্ষার অন্যতম ফুল হলো কেয়া। কেয়া ফুলকে বলা হয় ফুলের রাণী। যেমন তার রুপ তেমনি ঘ্রাণ। কেয়া ফুল জ্যৈষ্ঠ মাসে ফুটতে শুরু করে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসজুড়ে ফোটে। এটির বেশি দেখা মেলে সেন্টমার্টিন ও সুন্দরবনে। নোনাপানির ধারঘেঁষে শ্বাসমূলে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকে কেয়া গাছ। দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নদী বা সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে কেয়াবন। এক ধরনের কেয়ার রঙ সোনালি। যার নাম স্বর্ণ কেয়া। কেয়া গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত কান্ড থেকেই শাখা-প্রশাখা গজায়। পুরনো গাছে কান্ডের নিচে শেকড়ের ঝুরি বের হয়ে নতুন গাছের জন্ম নেয়। পাতা লম্বাটে আকারের। কিন্তু এখানকার গাছগুলোর পাতার দু’পাশ কাঁটামুক্ত। পাতাগুলো ৩-৪ মিটার লম্বা ও ৫-৬ সেন্টিমিটার চওড়া।
রঙ্গন ফুলঃ
আমাদের চারপাশের অতি পরিচিত ফুলের মধ্যে একটি হলো চমৎকার রঙের রঙ্গন ফুল রঙ্গন ফুল যা শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে অতি জনপ্রিয়। এটি মূলত একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। যারা ফুল ভালোবাসেন তারা রঙ্গন ফুলের প্রেমে পরতে বাধ্য। আমাদের একটি খুব পরিচিত ফুলের নাম হলো রঙ্গন। ভারত , বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস এবং থাইল্যান্ডেও এ গাছ প্রচুর দেখতে পাওয়া যায়। সাধারণত এরা ৪ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়, তবে এরা সর্বোচ্চ ১২ ফুটের মত লম্বা হতে পারে। সাধারণত লাল ও সাদা এই দুই রঙের রঙ্গন ফুল বেশি দেখা যায়।
কামিনী ফুলঃ
বর্ষার সুবাসিত ফুল কামিনী। বৃষ্টিস্নাত দিনে কিংবা অবাধ্য বাতাসের ঝাপটায় কামিনী গাছ থেকে দলবেঁধে ঝরে পড়ে সাদা সাদা পাপড়ি। পরিপূর্ণ পুষ্পিত কামিনী অসংখ্য ফুলের ভারে নুয়ে পড়ে। সুগন্ধি ছড়িয়ে দেয় বাতাসে। কামিনী ফুলের পাঁচ পাপড়ির মাঝে একটি হলদে পরাগ কেশর থাকে। দুধ সাদা এই ফুল গুচ্ছবদ্ধ, অনেকটা লেবুর ফুলের মতো। ফুলে পরিপূর্ণ এই গাছটি যেন চারপাশে মিষ্টি লেবুর সুগন্ধ ছড়ায়। কামিনী বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। গাছের আকার গুল্ম-ঝোপ থেকে মাঝারি হতে পারে। বর্ষার ফুল হলেও বছরে বেশ কয়েকবারই কামিনী ফোটে। কামিনী ফুল গাছ মূলত ক্রান্তীয় এশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার প্রজাতি। চিরসবুজ ছোটখাটো ধরনের গাছ, ৩ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। কখনও কখনও গুল্ম আকৃতিরও হতে পারে।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
চিলমারী প্রেস ক্লাবের জমি ব্যক্তি মালিকানায় নেয়ার পায়তারা
বগুড়ায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত
দিনাজপুরে সার্ক কালচারাল সোসাইটির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
জামালপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমন্বয়কের উপর হামলার অভিযোগ
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পান্নার মরদেহ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে অটোরিক্সা চালকের মৃত্যু
কমলো জ্বালানি তেলের দাম
কয়রাকে ইসলামী আন্দোলনের ক্যান্টনমেন্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: মাও. আবুল কালাম আজাদ
চট্টগ্রামের সাবেক মন্ত্রীরা কে কোথায়
বন্যাদুর্গত জেলাগুলোতে জাকের পার্টির ত্রাণ সহায়তা
বন্যার কারণে বেড়েছে পণ্যের দাম
প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে উত্তাল গৌরীপুর
সীমান্তে রাতভর যুদ্ধ বিমানে হামলা, আতঙ্কে এপারের মানুষ
কমছে পদ্মার পানি
নিরাপদ আশ্রয়ে কেউ আসছেন ত্রাণ নিতে, বুকসমান পানিতে কেউ আসছেন ত্রাণ নিয়ে
ডাকাতির ভয়ে ঘর ছাড়ছেন না পানিবন্দিরা
বন্যার্ত মানুষের জন্য জামালপুরে ত্রাণ সংগ্রহ সংস্কৃতিকর্মীদের
সমন্বয়ক হাসনাতকে দেখতে সিএমএইচে ধর্ম উপদেষ্টা
চট্টগ্রামে বন্যায় কৃষিখাতে ক্ষতি ৩৯৪ কোটি টাকা
সাংবাদিক রাহনুমা মৃত্যুর আগে ফেসবুকে লেখেন
ফারাক্কার গেট খুললেও প্রভাব পড়েনি রাজবাড়ীর পদ্মায়
সন্ধান মিলছে না স্বজনদের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট
দেশের স্বার্থে কাজ করতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান বাণিজ্য উপদেষ্টার
জামালপুরে ভাষাসংগ্রামী কয়েস উদ্দিনের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা
জামালপুরে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ফের মহাসড়ক অবরোধ
রাণীশংকৈলে আদা চাষে ৩ কৃষকের ব্যাপক সফলতা
মাদক ব্যবসায়ী দিলু মদ-ইয়াবা, গাঁজাসহ গ্রেফতার