দাঁত আমাদের অমূল্য সম্পদ। তাই দাঁত -সবল রাখতে আমাদের নিয়মিত খাদ্য ও দাঁত পরিচর্যার নিয়ম মেনে চলা উচিত। সুস্থ সবল দেহের জন্য দাঁত ও মাড়ি তথা মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা একান্ত প্রয়োজন। দাঁত ও মুখের ভেতরের স্বাস্থ্যকে অবহেলা করে নিরোগ জীবন আশা করা যায় না।
মুখ ও দাঁতের যত্ন করণীয়:-
মা ও শিশুদের জন্য :-
মায়ের দুধ শিশুদের শরীর ও দাঁতের আদর্শ খাদ্য। যেসব মা শিশুদেরকে ফিডার দিয়ে দুধপান করান, তারা একই নিপল দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না। ঘুমের মধ্যে শিশুদেরকে কোনোক্রমেই ফিডার দেবেন না; দিলে দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি হবে।
সময়মতো আপনার ছেলে-মেয়েদের দুধের দাঁত ফেলে দেবেন। নচেত স্থায়ী দাঁত বাঁকা-ত্যাড়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে।০ শিশু-কিশোর-কিশোরী যদি কোনো কারণে আঙুল চোষার অভ্যস্থ হয় সে ক্ষেত্রে ওই অভ্যাস রোধ করতে হবে। অপরাগতায় ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিন। নতুবা দাঁত আঁকা-বাঁকা, উঁচু নিচু ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এ ছাড়া মুখের ও চোয়ালের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত ও বেমানান হতে পারে এবং মুখশ্রীর গঠন ব্যাহত হতে পারে।
গর্ভকালীন মায়েরা টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। কারণ এটি শিশুর দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি করে। শিশু জন্মানোর পরেও শিশুকে ওই জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ১২ বছর পর্যন্ত দেবেন না। কারণ এতে স্থায়ী দাঁতের ক্ষতি হবে।
প্রতিরোধ:-
দাঁত নষ্ট হয় শুধু আমাদের বদ অভ্যাস এবং অনিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করার কারণে। তবে এ কথা সত্য যে, সবারই রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা সমান থাকে না। যারা নিয়মিত দাঁতের যত্ন করেন ও দাঁত নিয়মিত পরীক্ষা করান তারাই ভাগ্যবান। বছরে অন্তত: দু’বার একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের কাছে মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করানো ভালো। কারণ দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় করা গেলে চিকিৎসা (ফিলিং) করিয়ে দীর্ঘদিন দাঁতটি বাঁচানো সম্ভব। তেমনি মাঢ়ির রোগ (দাঁতের গোড়া দিয়ে রক্ত পড়া) ও প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে স্কেলিং করালে দাঁত নড়ে না বা ফেলে দিতে হয় না। যাদের দাঁত ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে তাদের মনে রাখা উচিত দেহের কোনো অংশের যত্ন নেয়ার দরকার বা প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় না। অস্বাভাবিক দাঁতকে যে ভাবেই হোক চিকিৎসা করিয়ে টিকিয়ে রাখাই শ্রেয়।
আজকাল চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে দাঁতের-চিকিৎসার প্রয়োগ ও প্রসার অনেক গুণে বেড়ে গেছে। তাই একটি মূল্যবান দাঁতকে ফেলে দেয়ার আগে একটু ভেবে দেখা দরকার নয় কি?
কোলেস্টেরল কমাতে নিয়মিত খান চিয়া সিড, মিলবে সুফল
চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতাল জনবল সংকটে ধুঁকছে
বন্যাদুর্গত এলাকায় দেড় লাখ লিটার বিশুদ্ধ নিরাপদ পানি বিতরণ করেছে ডিপিএইচই
পদত্যাগপত্র জমা দিলেন বিএসএমএমইউ ভিসি
আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার খরচ দেবে সরকার
রাজধানীর ১৮ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি : মেয়র তাপস
ফের করোনা আতঙ্ক
সিজারিয়ান অপারেশন কমিয়ে আনতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ ও সংস্থা যথার্থ দায়িত্ব পালন করছে না : মেয়র তাপস
রথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা খরচ দেবে সরকার
স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচিতে সমন্বয় দরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাসেলস ভাইপার নিয়ে জরুরি নির্দেশনা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
হাসপাতালের শৌচাগারগুলোরই যেন চিকিৎসার দরকার...
ফ্যাটি লিভার চিকিৎসায় বছরে ক্ষতি ৮৫ হাজার কোটি টাকা
এসি রুমে বসে ধূমপান! কী বিপদ ডেকে আনছেন, জানেন?
এনার্জি ড্রিংকস পান করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে
স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ৩৩৫৬ কোটি টাকা
ওষুধ ছাড়াই ডায়াবেটিস থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি
যে ৫টি শাক সবচেয়ে উপকারী
দুধ জ্বাল দেওয়ার ভুলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হচ্ছে না তো?
ঢাকার ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘উচ্চঝুঁকিতে’
শিশুর এডিনয়েডের সমস্যা কীভাবে বুঝবেন, কখন অপারেশন করবেন?
প্যানিক ডিজঅর্ডারের লক্ষণ কী?
সন্তান প্রসবের পরবর্তী ৩ ধরনের মানসিক সমস্যা, করণীয় কী?
কিশোরীদের প্রথম মাসিকে করণীয় কী?
বিশ্বব্যাপী মহামারিতে মানুষের গড় আয়ু কমেছে দুই বছর
আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে করলে বাড়ে সন্তানের রোগের ঝুঁকি
আচারের তেল খাওয়া কী স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ?
কলায় মুক্ত হবে একাধিক রোগ, কিন্তু খাবেন না যারা