রমজান হল সংযমের মাস। এ সময় সারাদিন না খেয়ে শুধু ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত খাওয়ার সময় থাকে। ফলে এ সময়ের মধ্যে অনেকেই যা ইচ্ছে; তা-ই খেতে থাকেন। যার ফলে দেখা দেয় বদ হজম বা পেটে গ্যাসের মত সমস্যা
যদি কোনও কারণে পাকস্থলীতে এই হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণ এর মাত্রা বেড়ে যায়, তাহলে পাকস্থলীর অভ্যন্তরীণ আবরণ তথা মিউকাস মেমব্রেনে প্রদাহ তৈরি হয় যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় গ্যাসট্রাইটিস বলে।
গ্যাস্ট্রাইটিস এর উপসর্গ
১.পেটের উপরি অংশে ব্যাথা হবে।
২.বুক জ্বালাপোড়া করবে।
৩. খাবারের আগে পরে পেট ব্যাথা হতে পারে।
৪.খাবার এর সময় বুকে বাঁধ পড়ার মত অনুভব হবে।
৫. ঢেকুর আসবে।
৬. অল্প খাবারেই পেট ভরে গেছে মনে হবে।
ইফতারির সময় যা করণীয়
১. পেটে গ্যাসের সমস্যা কমাতে চাইলে ইফতারিতে অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার যেমন পেয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, চিকেন ফ্রাই, জিলাপি ইত্যাদি যতটুকু সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।
২. ইফতারিতে ইসুপগুলের শরবত, ডাবের পানি, ইত্যাদি খাওয়া যাতে পারে আর শর্করা জাতীয় খাবার যথা খেজুর, পেয়ারা, ছোলা, সেমাই ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
৩. ইফতারি শুরুতে অল্প পরিমাণ খাবার তারপর মাগরিবের নামাজ পড়ে রাতের খাবার খেয়ে নেয়া ভাল। সম্ভব হলে তারাবীর নামাজের আগেই খেয়ে নিতে হবে।তাহলে খাবারের পরে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে নামাজ পড়তে গেলে নামাজের সময় এক প্রকার ব্যায়াম হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে খাবার পরিপাকে সহায়ক হবে পাশাপাশি এসিডিটির ঝুঁকি কমে যাবে।
৪. টক জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকলেও সাইট্রিক অ্যাসিডও থাকে। তাই রোজার সময় টক জাতীয় ফল সাবধানতার সাথে খেতে হবে। ভাল হয় রাতের খাবার শেষ করে ভরা পেটে খেলে।
৫. ঝাল খাবার পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় তাই কাচা মরিচ কিংবা অতিরিক্ত ঝাল খাবার পরিহার করে চলতে হবে।
৬. রোজার সময় চা, কফি ইত্যাদি পরিহার করে চলা উচিত এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে এবং পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
সাহরিতে যা করণীয়
১. সাহরির খাবারেও এমন সব খাবার পরিহার করা উচিত যা পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি করে। যেমন চর্বি জাতীয় খাবার, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, চা কফি ইত্যাদি।
২. সাহরি সম্পন্ন করার পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে তারপরে ঘুমাতে যাওয়া ভালো। এতে শরীর ভালো থাকবে এবং গ্যাসের সমস্যা হবে না।
৩. সাহরিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও তরল জাতীয় খাবার খাওয়া ভালো।
৪. যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা কিংবা গ্যাস্ট্রিক রোগ রয়েছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খেতে পারেন এবং রোজা রাখতে পারবেন।
৫. অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি, শাক-সবজি, ডিম, দুধ, মাংস ইত্যাদি খাবার সাহরিতে খেতে পারেন। তবে অবশ্যই তেল-মশলা কম ব্যবহার করে রান্না করবেন।
৬. সাহরিতেও ঝালজাতীয় খাবার খাবেন না। এমন খাবার পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
নবীন নিউজ/এফ
কোলেস্টেরল কমাতে নিয়মিত খান চিয়া সিড, মিলবে সুফল
চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতাল জনবল সংকটে ধুঁকছে
বন্যাদুর্গত এলাকায় দেড় লাখ লিটার বিশুদ্ধ নিরাপদ পানি বিতরণ করেছে ডিপিএইচই
পদত্যাগপত্র জমা দিলেন বিএসএমএমইউ ভিসি
আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার খরচ দেবে সরকার
রাজধানীর ১৮ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি : মেয়র তাপস
ফের করোনা আতঙ্ক
সিজারিয়ান অপারেশন কমিয়ে আনতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ ও সংস্থা যথার্থ দায়িত্ব পালন করছে না : মেয়র তাপস
রথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা খরচ দেবে সরকার
স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচিতে সমন্বয় দরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাসেলস ভাইপার নিয়ে জরুরি নির্দেশনা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
হাসপাতালের শৌচাগারগুলোরই যেন চিকিৎসার দরকার...
ফ্যাটি লিভার চিকিৎসায় বছরে ক্ষতি ৮৫ হাজার কোটি টাকা
এসি রুমে বসে ধূমপান! কী বিপদ ডেকে আনছেন, জানেন?
এনার্জি ড্রিংকস পান করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে
স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ৩৩৫৬ কোটি টাকা
ওষুধ ছাড়াই ডায়াবেটিস থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি
যে ৫টি শাক সবচেয়ে উপকারী
দুধ জ্বাল দেওয়ার ভুলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হচ্ছে না তো?
ঢাকার ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘উচ্চঝুঁকিতে’
শিশুর এডিনয়েডের সমস্যা কীভাবে বুঝবেন, কখন অপারেশন করবেন?
প্যানিক ডিজঅর্ডারের লক্ষণ কী?
সন্তান প্রসবের পরবর্তী ৩ ধরনের মানসিক সমস্যা, করণীয় কী?
কিশোরীদের প্রথম মাসিকে করণীয় কী?
বিশ্বব্যাপী মহামারিতে মানুষের গড় আয়ু কমেছে দুই বছর
আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে করলে বাড়ে সন্তানের রোগের ঝুঁকি
আচারের তেল খাওয়া কী স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ?
কলায় মুক্ত হবে একাধিক রোগ, কিন্তু খাবেন না যারা